678b-এর গেমস পেজটা অনেকটা একটা বড় গেমিং শপিং মলের মতো — ঢুকলে কোথায় আগে যাবেন বুঝতে পারা কঠিন। কিন্তু একটু সময় নিলেই বোঝা যায়, সব কিছু সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো আছে। স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ক্র্যাশ গেম, কার্ড, টেবিল, আর্কেড — প্রতিটি বিভাগ আলাদাভাবে সংগঠিত।

স্লট গেমের দুনিয়া

678b-এ স্লটের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি — দেড় হাজারেরও বেশি। ভিডিও স্লট, ক্লাসিক থ্রি-রিল, মেগাওয়েজ মেকানিক, ক্লাস্টার পেজ — বিভিন্ন ধরনের স্লট এখানে আছে। যারা নতুন তাদের জন্য সহজ পরামর্শ হলো Pragmatic Play বা NetEnt-এর গেম দিয়ে শুরু করুন। এই দুটো স্টুডিওর গেম বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পরিচিত এবং ইন্টারফেস বাংলাদেশি মোবাইলে সুন্দরভাবে কাজ করে।

Gates of Olympus, Sweet Bonanza, Big Bass Bonanza — এই তিনটি গেমই 678b-এর স্লট বিভাগে বছরের পর বছর ধরে শীর্ষে আছে। কারণ এগুলোর বোনাস রাউন্ড বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। একটি স্পিনেই কয়েক হাজার গুণ পেআউট আসতে পারে — এই সম্ভাবনাটাই মানুষকে বারবার ফিরিয়ে আনে।

লাইভ ক্যাসিনো কেন আলাদা

লাইভ ক্যাসিনো বিভাগটা একটু আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়। এখানে সফটওয়্যার নয়, বরং আসল মানুষ ডিলার হিসেবে থাকেন। রিয়েল ক্যামেরায় স্ট্রিম করা এই গেমগুলোতে মনে হয় সত্যিকারের ক্যাসিনো টেবিলে বসে খেলছেন। 678b-এ Evolution Gaming-এর লাইভ টেবিলের কোয়ালিটি সবচেয়ে ভালো — HD স্ট্রিমিং, সাব-সেকেন্ড ডিলে এবং মাল্টি-ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল।

লাইভ ব্যাকার‍্যাট, লাইভ রুলেট, ড্রাগন টাইগার এবং আনদার বাহার — এই চারটি গেম বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। আনদার বাহার আর ড্রাগন টাইগার একটু সহজ কারণ এখানে মূলত দুটো দিকের একটি বেছে নিতে হয়, নিয়মকানুন কম।

ক্র্যাশ গেম — রিস্ক আর রিওয়ার্ড

ক্র্যাশ গেম বিভাগটা গত তিন বছরে 678b-এ অভাবনীয় গতিতে বড় হয়েছে। Aviator এই বিভাগের রাজা — দিনে গড়ে ৮,০০০-এর বেশি সক্রিয় খেলোয়াড় থাকেন এই একটি গেমে। নিয়মটা সহজ: বিমান যত উঁচুতে ওঠে মাল্টিপ্লায়ার তত বাড়ে, ক্র্যাশ হওয়ার আগে বের হতে পারলে জয়। কিন্তু কখন ক্র্যাশ হবে সেটা আগে থেকে জানার উপায় নেই — এই অনিশ্চয়তাটাই গেমটিকে নেশাদার করে তোলে।

678b-এর ক্র্যাশ গেমগুলোতে একটি সুবিধা আছে — অটো ক্যাশ-আউট। আগে থেকে একটি মাল্টিপ্লায়ার সেট করে দিলে সেই পর্যায়ে পৌঁছামাত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা নামিয়ে নেওয়া হয়। ভুলে গেলেও ক্ষতি নেই।

আর্কেড ও ইন্সট্যান্ট গেম

678b-এর আর্কেড বিভাগে Mines, Plinko, HiLo, Dice — এই গেমগুলো আছে। এগুলো স্লটের মতো সফিস্টিকেটেড নয়, কিন্তু খেলতে মজাদার। Mines গেমে মাইনফিল্ড এড়িয়ে যত বেশি ঘর খুলবেন মাল্টিপ্লায়ার তত বাড়বে। নিজের রিস্ক নিজেই নির্ধারণ করা যায়, তাই এই গেমটা অনেকের পছন্দের।

678b-এর সব গেমেই ডেমো মোড আছে — অ্যাকাউন্ট না খুলেও অনেক গেম বিনামূল্যে খেলে দেখা যায়। তবে রিয়েল মানি জিততে হলে অ্যাকাউন্ট খুলতেই হবে। নতুনরা প্রথমে ডেমোতে অভ্যাস করে তারপর আসল খেলায় নামলে অনেক সুবিধা পাবেন।